Class 8 Assignment 11th week Answer (English, ICT)

অন্যান্য

 346 total views

English Assignment Solution

COVID-19 is a disease caused by a new coronavirus, which has not been previously identified in humans. In most cases, COVID-19 causes mild symptoms including dry cough, tiredness, and fever, though fever may not be a symptom for some older people. Other mild symptoms include aches and pains, nasal congestion, runny nose, sore throat, or diarrhea. Some people become infected but don’t develop any symptoms and don’t feel unwell. In more severe cases, the infection can cause pneumonia or breathing difficulties. More rarely, the disease can be fatal.

Protective measures to stop the spread of RESULTBANG coronavirus disease.

The virus is transmitted through direct contact with respiratory droplets of an infected person (generated through coughing and sneezing), and touching surfaces contaminated with the virus. The COVID-19 virus may survive on surfaces for several hours, but simple disinfectants can kill it.

Here are ten precautions you and your family can take to avoid infection:
1. Wash your hands frequently using soap and water or an alcohol-based hand rub.

2. Cover mouth and nose with flexed elbow or tissue when coughing or sneezing.

3. Dispose of used tissue immediately.

4. Avoid close contact with anyone who has cold or flu-like symptoms.

5. Seek medical care early if you have a fever, cough, or difficulty breathing.

6. Maintain a safe distance from anyone who is coughing or sneezing.

7. Stay home if you feel unwell.

8. Clean and disinfect frequently touched surfaces every day.

9. Always carry a hand sanitizer, pack of disposable tissues, and disinfecting wipes.
10. Follow the facility guidelines on any visit requirements, including screening and wearing a mask.

Older people and people of all ages with pre-existing medical conditions (such as diabetes, high blood pressure, heart disease, lung disease, or cancer) appear to develop serious illness more often than others.

 

Solution in ICT Assignment

তারিখঃ

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

রায়পুর এল এম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ।

রায়পুর,লক্ষীপুর ।

বিষয়ঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মোচন।

জনাব,

বিনীত নিবেদন এই যে, আপনার আদেশ নং ম.উ.বি. ২৫৬-৮ তারিখঃ১১-৮-২০২১ অনুসারে “তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মােচিত হয়েছে” শীর্ষক প্রতিবেদন নিম্নে দেওয়া হলাে।

“তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিক উন্মােচিত হয়েছে

ভূমিকাঃ
যন্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদন করাই হচ্ছে প্রযুক্তি। প্রতিদিন আমরা নানা কাজে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করি। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে আরও উন্নত, সহজ এবং আরামদায়ক করেছে। যেমন –বর্তমানে আমাদের মােবাইলের শব্দ শুনে ঘুম ভাঙ্গে। কিন্তু কিছুদিন আগেও আমাদের সকাল বেলা মােরগের ডাক এবং পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গত।

আমরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছি। তাই বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে এগুলাে পরিবেশ দূষণের কারন না হয়। আমাদের জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। যেমন – বাসস্থান, যাতায়াত, শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা, খেলাধুলা ও বিনােদন ইত্যাদি।

নিম্নে এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা দেওয়া হলাে –
১. মােবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।

২. মােবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা পাঠানাে ও গ্রহণ করা যায়। ।

৩. অনলাইন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে ঘরে বসেই চাকরির দরখাস্ত করা যায় এবং পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা যায়। ।

৪. অনলাইন টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের বাইরে বা স্টেশনে না গিয়েই ট্রেনের এবং প্লেনের টিকিট কেনা যায়।
৫. অনলাইনে ইন্টারনেটের সহায়তায় সব ধরনের পত্রিকা (যা ইন্টারনেটে থাকে) পড়া যায়।

৬. ইন্টারনেটে ঘরে বসেই প্রয়ােজনীয় পণ্যের অর্ডার দেওয়া এবং বিল পরিশােধ করা যায়।
৭. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকাপয়সা পাঠানাে যায়।।

৮. ই-বুক সুবিধা পাওয়া যায়।

উৎপাদনশীলতাঃ
তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মানুষ সব ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়ােজনেই শিখে নিচ্ছে। প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে স্বয়ংক্রিয়করণ ও প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু বিকাশের এ ধারায় দেখা গেছে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, বেশ কিছু কাজের ধারায় পরিবর্তন এসেছে। তবে অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।

এক গবেষণায় জানা গেছে, প্রতি এক হাজার ইন্টারনেট সংযােগের ফলে নতুন ৮০টি কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে একজন কর্মী অনেক বেশি দক্ষ হয়ে ওঠে। বিপজ্জনক অনেক কাজ শ্রমিকরা যন্ত্র দিয়ে করায় বিভিন্ন কারখানায় নানা রকম কাজের জন্য রােবট বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ মানুষই করে থাকে। এতে সময় বাঁচে। কাজ নিখুঁত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। এর কারণ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির সংযুক্তি। তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির প্রয়ােগে উৎপাদনশীলতায় এ বৃদ্ধিকে বাঙালি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ইকবাল কাদির সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা (Connectivity is productivity) অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে।

দক্ষ কর্মীঃ
তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিপুল বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে, স্বয়ংক্রিয়করণ এবং প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে; কিন্তু পরবর্তী সময় দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বা বেশ কিছু কাজের ধারা পরিবর্তন হয়েছে বটে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের ফলে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে টিকে থাকার জন্য কর্মীরা নিজেদের ক্রমাগত দক্ষ করে নেয়, ফলে দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিগুলােতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।

কর্মের খাতসমূহ ও কর্ম প্রত্যাশিদের জন্য আইসিটির ভূমিকাঃ
তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিপুল বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নানা ধরনের পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এর বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতাে স্বয়ংক্রিয়করণ ও প্রযুক্তির প্রয়ােগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে; কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে বা বেশ কিছু কাজের ধারা পরিবর্তন হলেও অসংখ্য নতুন কাজের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু কর্মসৃজন নয়, কর্মপ্রত্যাশীদের কাজের সুযােগ প্রাপ্তিতেও ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে। আগে যেকোনাে ধরনের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নােটিশ বাের্ড, বড় বড় সরকারি প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে সেঁটে দেওয়া হতাে। আইসিটি ও ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে ইন্টারনেটে জবসাইট নামে নতুন এক ধরনের সেবা চালু হয়েছে। এসব জবসাইটে নিয়ােগকারী প্রতিষ্ঠান সরাসরি তাদের বিজ্ঞপ্তি প্রচার করতে পারে। এ ছাড়া এরূপ কোনাে কোনাে সাইটে কর্মপ্রত্যাশীরা নিজেদের নিবন্ধি করে রাখতে পারে। উল্লেখযােগ্য খাত সমূহঃ www.freelancer.com,www.upwork.com, www.elance.com.

উপসংহার:
তথ্য যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা যে শুধুমাত্র আমাদের নিজের জীবনটাকে সহজ করতে পারি তা নয়, আমরা কিন্তু আমাদের দেশটাকে ও পাল্টে ফেলতে পারি। জ্ঞান হচ্ছে পৃথিবীর সম্পদ, আর যে দেশের মানুষ লেখাপড়া শিখে শিক্ষিত, যারা জ্ঞান চর্চা করে সেই দেশ হচ্ছে সম্পদশালী দেশ। তথ্য যােগাযােগ প্রযুক্তি শেখার দরজার সবার জন্য খােলা।। তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি এই প্রযুক্তি শিক্ষা নিতে পারবাে, তত তাড়াতাড়ি আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে পারব এবং দেশকে সম্পদশালী করে গড়ে তুলতে পারব।

প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানাঃ
নামঃরাজন হোসাইন

৮ম শ্রেণি, রােলঃ০১

রায়পুর এল এম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর,লক্ষীপুর ।

শেয়ার করুনShare on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print
Email this to someone
email

Leave a Reply

Your email address will not be published.