janasuna.com

সিসি লোন কি ? সিসি লোন তুলার নিয়ম

অন্যান্য

 6,677 total views

সিসি লোন কি ? সিসি লোন তুলার নিয়ম

নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করার জন্য অনেক সময় ব্যাংক থেকে লোন নিতে হয় যাকে আমরা ব্যক্তিগত লোন বলি কিন্তু বতর্মানে এটি আরো সহজ হয়ছে। আমরা একই সেবা এখন ক্রেডিট কার্ড মাধ্যমে পেতে পারি। একে সাধারণত দুইটি নামে ডাকা হয় একটি হলো ক্যাশ ক্রেডিট আর একটি হলো সিসি লোন। আপনারা যারা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন তারা খুব সহজে লোন নিতে পারবেন তবে কার্ডের ক্রেডিট সীমার উপরে, অতীতের ক্রেডিট স্কোর এবং ঋণ শোধ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে আপনি কত টাকা লোন পাবেন। আপনি যদি ব্যক্তিগত লোন নিতে চান তাহলে ক্যাশ ক্রেডিট কার্ড বা সিসি লোন তুলনা মূলক ভাবে বেশি সুবিধা পাবেন।

 

সিসি লোন কি ?

সিসি-লোন-কী

 

কোন একজন লোক কোন নিদিষ্ট ব্যাংকে বিশেষ কোন কিছু জামানতের বিনিময়ের ঋণ পেয়ে থাকে তাকে সাধারণ সিসি লোন বলে। সিসি একাউন্ট কারেন্ট একাউন্টের মত ই। ব্যাংক এই ব্যক্তিকে তার নিজের একাউন্টের নির্দিষ্ট একটা ঋণ দিয়ে থাকে এবং এই ব্যক্তি এর চেয়ে বেশি ঋণ নিতে পারে না। চাহিবার মাএ ফেরত দিতে হবে সাধারণত এই প্রকৃতির ঋণ এগুলো। সিসি লোন এর অনেক রকম সুবিধা আছে। সিসি লোনের সুবিধা হচ্ছে এখনে সুদের হার অনেক কম আরো সুবিধা আছে যেটা হচ্ছে অনেক দীর্ঘ সময়ের জন্য লোন নেওয়া যায়। বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক আছে তারা তাদের নিয়ম অনুযায়ী নিদিষ্ট মেয়াদে সিসি লোন দিয়ে থাকে।  প্রতিটি ব্যাংক তাদের নিয়ম নেমে সিসি লোন দিয়ে থাকে।

আপনি যদি অধিক লোন নিতে চান এবং কম জামেলাহীন তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে  সিসি লোন। আমি যত দূর জানি সিসি লোন সবচেয়ে বেশি নেয় ব্যবসায়ী লোক জন। এতক্ষণ আলোচনা করলাম সিসি লোন এর সুবিধা সম্পর্কে। সিসি লোন এর সুবিধা থাকবে অসুবিধা থাকবে না এটা তো হয় না।  এখন অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো নির্দিষ্ট সময়ে লোন দিতে হবে।  যদি আপনি নির্দিষ্ট সময় লোন না পারেন তাহলে আপনার জামানত ব্যাংক নিলামে তুলার সম্পণ অধিকার রাখে। আর একটা অসুবিধা হলো কিন্তুু এটা সব ব্যাংক এজন্য না কিছু কিছু ব্যাংক লোন দেওয়ার পূর্বে সুদের টাকা গ্রহণ করে থাকে। সব ব্যাংক না কিছু কিছু ব্যাংক। সিসি লোন সাধারণ ১ বছরে জন্য দেওয়া হয়। আপনি চাইলে পুরোবর্তী এক বছর শেষে আবার সিসি লোনের মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারেন। সিসি লোনের ব্যাংকের সুদের হার ৯ %। আপনি যদি এক লক্ষ টাকার সিসি লোন করেন তাহলে এক বছরের সুদ হবে ৯ হাজার টাকা। এই ইন্টারেস্ট টা প্রতি তিন মাস পর পর আপনার থেকে টেকে নেওয়া হবে। অর্থাৎ আপনি যদি ১০ লক্ষ টাকার সিসি লোন করেন তাহলে আপনার এক বছর শেষে ৯০ হাজার টাকা সুদ দিতে হবে। এই ৯০ হাজার টাকা সুদ ব্যাংক আপনার থেকে প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর কেঁটে নিবে।

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের fb page এ নক করতে পারেন।

 

বিজনেস সিসি লোন তোলার নিয়ম এবং কতটা লাভ সংক্রান্ত তথ্য ?

সিসি-লোন-তুলার-নিয়ম

বিজনেস করতে গিলে অনেক টা মূলধনের প্রয়োজন হয়। সবার কাছে এ রকম নগদ মূলধন নাও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের জমি জমা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যে দাম আছে। তার পর্রবতীতে আমরা যে সিসি লোন নিবো এ সিসি লোন কে আমরা আমাদের ব্যবসাতে সে টাকা কে খাঁটাবো এবং সে টাকা টা খাঁটানোর বিপরীতে আমরা কিছু অর্থ উপার্জন করবো। এখন এখানে একটি ব্যপার সম সময় মাথায় রাখতে হবে। আমরা সিসি লোনের যে টাকা টাকে আমাদের ব্যবসাতে খাঁটাবো অবশ্য ই খেয়েল রাখতে হবে যাতে লভ্যাংশ টা আমাদের বছর শেষে যে ৯০ হাজার টাকা দিতে হবে তার থেকে ও বেশি কিন্তুু আমাদের উপার্জন করতে হবে। আপনি ১০ লক্ষ টাকা সিসি লোন করে বছর শেষে যদি ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি ৯০ হাজার টাকা ব্যাংকে সুদ দিবেন বাকি ৯০ হাজর টাকার আপনি নিলেন। এখন যদি আপনি ১০ লক্ষ টাকা সিসি লোন গ্রহণ করে বছর শেষে ৯০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারলেন না। তাহলে দেখা যাবে বছর শেষে আপনার যে ১০ লক্ষ টাকা সিসি লোন ছিলো সেখান থেকে আরো আপনার টাকা কমে আসবে। এভাবে দিনের পর দিন সিসি লোন টাকা কমতে শুরু করবে এবং আপনি আশা অনুযায়ী লাভ করতে পারবে না।  একটা সময় দেখা যাবে আপনার ১০ লক্ষ টাকা থেকে সুদ কেঁটে নিয়ে নিয়ে একটা সময় দেখা যাবে আপনার আর কোন টাকা ই নেয়। সেক্ষেত্রে ব্যাংক আপনাকে দেওলিয়া ঘুষণা করবে এবং সিসি লোন নেবার সময় ব্যাংকে যে আপনার জমি জমা কাগজ জমা দিয়েছিলেন সেগুলো ব্যাংক নিয়ে নিলামে তুলবে। এজন্য ই আপনাদেরকে বলবো সিসি লোন নেওয়ার আগে ভেবে চিন্তে নিবেন এবং সিসি লোনের টাকা যে ব্যবসায় আপনি ব্যয় করবেন সেখানে খেয়াল রাখবেন এখান থেকে যে লভ্যাংশ টি পাবেন সেটা যেন অবশ্য ই আপনার ব্যাংক ইন্টারেস্ট থেকে বেশি হয় তাহলে আপনি আপনার ব্যবসায় ভালো ভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন। অন্যথায় আপনার সমস্ত টাকা নষ্ট হবে এবং দেউলিয়া হয়ে যাবেন। এ কারণে আপনাদের বলবো ব্যাংক থেকে সিসি লোন নেওয়ার আগে অবশ্য ই আগে পিছে ভেবে তারপরে ব্যাংকের সিসি লোন নিবেন। হয়তো সবাই এসব কথা খুলামেলা বলে না আমি আপনাদের কে বললাম এর ভালো দিক খারাপ দিক সব গুলোরই আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। 

সিসি লোন নেওয়ার জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন। 

টিন সার্টিফিকেট থাকতে হবে। টিন সার্টিফিকেট এর পূর্ণরুপ হলো ট্যাক্সপেয়ার আইডেনটিফিকেশন নাম্বার। সহজ ভাষায় বললে এটি একটি বিশেষ নাম্বার এই নাম্বারে সাহায্য ট্যাক্স করদাতাকে শনাক্ত করা হয়।

 

আবেদনকারী অবশ্য ই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

 

যে ব্যাংক থেকে সিসি লোন তোলতে চাই সে ব্যাংকের শাখায় তার কাগজ জমা দিতে হবে।

 

আপনার অবশ্য ই ১৮ বছরের উপরের  হতে  হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি থাকতে হব।

 

যে ব্যক্তি সিসি লোন তোলার জন্য আবেদন করতে তার নিজের পাসপোর্ট সাইজের ছবি থাকতে হবে।

 

আরো ইত্যাদি।

 

লোন এবং চাকরি নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে

janasuna.com

শেয়ার করুনShare on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print
Email this to someone
email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *